Friday, February 16, 2018
Wednesday, February 14, 2018
মাশরাফি–তামিমের অন্য রকম ‘তর্ক’
আজ অনুশীলনের পর দুপুরে একটা সমাবেশ (নাকি জম্পেশ আড্ডা হলো মিরপুরে ‘সাকিব কনভেনশন হলে’)। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে ক্রিকেটার-সাংবাদিকেরা এক বিন্দুতে মিললেন। তবে উপলক্ষটা ক্রিকেট ছিল না, ছিল অন্য কিছু।
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক সাইদ জামান একটি বই লিখেছেন। বাংলাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত এই বইটির নাম ‘ব্রাজিল’। বোঝাই গেল, লেখক এটি ক্রিকেট নিয়ে লেখেননি। ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিক কাভার করেছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই লেখা বইটি। মজাটা হচ্ছে, ‘অক্রিকেটীয়’ এই বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান জমিয়ে তুললেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই।
ব্রাজিল নিয়ে বই হলো, আর্জেন্টিনাকে নিয়ে কেন নয়—লেখককে এমন প্রশ্নই করলেন ‘আর্জেন্টিনা অন্তঃপ্রাণ’ মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক আকাশি-নীলদের ভালোবাসেন ডিয়েগো ম্যারাডোনার কারণে। তাই বলে ব্রাজিলের প্রতি কোনো ‘বিদ্বেষ’ তাঁর নেই, ‘আর্জেন্টিনা সমর্থন করলেও ব্রাজিলের খেলাও দেখি। রোনালদোর খেলা দেখেছি, রোনালদিনহোর খেলাও খুব ভালো লাগত। ব্রাজিলের সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে সাম্বা।’
বইয়ের প্রকাশনা উৎসব হলেও অনুষ্ঠানটি রূপ নিল চিরায়ত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা তর্কে। বাংলাদেশ দলে যদিও মাশরাফির পক্ষেই ‘ভোট’ বেশি, বেশির ভাগই আর্জেন্টিনার সমর্থক। মাশরাফি-সাকিব-মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকের মতো অনেকেই পছন্দ করেন আর্জেন্টিনাকে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে ‘আর্জেন্টিনাবিরোধী’ও আছে যথেষ্টই। সেই দলটির নেতৃত্বে তামিম ইকবাল। ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক তামিমের তর্ক সবচেয়ে বেশি জমে মাশরাফির সঙ্গে, ‘ফুটবল নিয়ে সবচেয়ে মজার তর্ক হয় মাশরাফি ভাইয়ের সঙ্গে। গত বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ৭ গোল খাওয়ার পর খুব খারাপ লেগেছিল। তবে আর্জেন্টিনা-সমর্থক কেউ বলতে এলে বলি, পরের বিশ্বকাপ থেকেও যদি জিততে শুরু করেন আমাদের সমান হতে ১২ বছর লাগবে! ওই লেভেলে আসেন, তার পর কথা হবে!’
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল বিতর্কের শেষ না হলেও একটি বিষয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা একমত, ফুটবল-পাগল এ দুই দেশের সঙ্গে যদি বাংলাদেশের ক্রিকেট ম্যাচ হয়, সেখানে তারা বলে-কয়েই জিতবেন! লেখক সাইদ মজার এক তথ্য জানালেন, আর্জেন্টিনা ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নাকি তামিমের ভীষণ ভক্ত। তিনি আবার আর্জেন্টিনা জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়ও। তাঁর অনুরোধ, তামিম যদি কোনো দিন আর্জেন্টিনা বেড়াতে আসেন, তাহলে যেন কয়েকটি ব্যাট সঙ্গে আনেন। ক্রিকেট সরঞ্জামাদি নাকি প্রায় পাওয়াই যায় না ফুটবল-পাগল আর্জেন্টিনায়!
সিনিয়র ক্রীড়া সাংবাদিক সাইদ জামান একটি বই লিখেছেন। বাংলাপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত এই বইটির নাম ‘ব্রাজিল’। বোঝাই গেল, লেখক এটি ক্রিকেট নিয়ে লেখেননি। ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিক কাভার করেছিলেন তিনি। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই লেখা বইটি। মজাটা হচ্ছে, ‘অক্রিকেটীয়’ এই বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান জমিয়ে তুললেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাই।
ব্রাজিল নিয়ে বই হলো, আর্জেন্টিনাকে নিয়ে কেন নয়—লেখককে এমন প্রশ্নই করলেন ‘আর্জেন্টিনা অন্তঃপ্রাণ’ মাশরাফি বিন মুর্তজা। বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক আকাশি-নীলদের ভালোবাসেন ডিয়েগো ম্যারাডোনার কারণে। তাই বলে ব্রাজিলের প্রতি কোনো ‘বিদ্বেষ’ তাঁর নেই, ‘আর্জেন্টিনা সমর্থন করলেও ব্রাজিলের খেলাও দেখি। রোনালদোর খেলা দেখেছি, রোনালদিনহোর খেলাও খুব ভালো লাগত। ব্রাজিলের সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে সাম্বা।’
বইয়ের প্রকাশনা উৎসব হলেও অনুষ্ঠানটি রূপ নিল চিরায়ত ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা তর্কে। বাংলাদেশ দলে যদিও মাশরাফির পক্ষেই ‘ভোট’ বেশি, বেশির ভাগই আর্জেন্টিনার সমর্থক। মাশরাফি-সাকিব-মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকের মতো অনেকেই পছন্দ করেন আর্জেন্টিনাকে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলে ‘আর্জেন্টিনাবিরোধী’ও আছে যথেষ্টই। সেই দলটির নেতৃত্বে তামিম ইকবাল। ব্রাজিলের একনিষ্ঠ সমর্থক তামিমের তর্ক সবচেয়ে বেশি জমে মাশরাফির সঙ্গে, ‘ফুটবল নিয়ে সবচেয়ে মজার তর্ক হয় মাশরাফি ভাইয়ের সঙ্গে। গত বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে ৭ গোল খাওয়ার পর খুব খারাপ লেগেছিল। তবে আর্জেন্টিনা-সমর্থক কেউ বলতে এলে বলি, পরের বিশ্বকাপ থেকেও যদি জিততে শুরু করেন আমাদের সমান হতে ১২ বছর লাগবে! ওই লেভেলে আসেন, তার পর কথা হবে!’
আর্জেন্টিনা-ব্রাজিল বিতর্কের শেষ না হলেও একটি বিষয়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা একমত, ফুটবল-পাগল এ দুই দেশের সঙ্গে যদি বাংলাদেশের ক্রিকেট ম্যাচ হয়, সেখানে তারা বলে-কয়েই জিতবেন! লেখক সাইদ মজার এক তথ্য জানালেন, আর্জেন্টিনা ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান নির্বাহী নাকি তামিমের ভীষণ ভক্ত। তিনি আবার আর্জেন্টিনা জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়ও। তাঁর অনুরোধ, তামিম যদি কোনো দিন আর্জেন্টিনা বেড়াতে আসেন, তাহলে যেন কয়েকটি ব্যাট সঙ্গে আনেন। ক্রিকেট সরঞ্জামাদি নাকি প্রায় পাওয়াই যায় না ফুটবল-পাগল আর্জেন্টিনায়!
বিএনপির অনশন ৩ ঘণ্টায় শেষ
কারাবন্দী বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে দলের ডাকা ছয় ঘণ্টার অনশন কর্মসূচি পুলিশের আপত্তিতে আগেই শেষ হয়ে গেছে। পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ বুধবার সকাল ১০টায় অনশন শুরু হয়। বিকেল চারটা পর্যন্ত হওয়ার কথা থাকলেও বেলা একটায় তা শেষ করে বিএনপি। তবে এ ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে চেষ্টা করে যোগাযোগ করা যায়নি।
খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে ঘোষিত তিন দিনের কর্মসূচির আজ ছিল তৃতীয় দিন। গতকাল মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে দলটি।
আজকের কর্মসূচি অনুযায়ী সকাল ১০টায় বিএনপির নেতারা প্রেসক্লাবের সামনের ফুটপাতের ওপর বিছানো কার্পেটে বসে পড়েন। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা ফুটপাতের ওপর রাখা চেয়ারে বসেন। তাঁদের ঘিরে নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন।
বিএনপির অনশন চলার সময় প্রেসক্লাবের সামনে রাস্তা প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় পুলিশের সদস্যরা রাস্তা থেকে ভিড় সরানোর চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে মাইকে বিএনপির নেতারা বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে অনশন কর্মসূচি বেলা একটার মধ্যে শেষ করতে হবে। পরে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যে যার মতো চলে যেতে থাকেন।
দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তখন বিএনপির নেতা-কর্মীরা ছোটাছুটি করছিলেন। পরে দেখা গেল, গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সভাপতি হাবিব-উন নবী খান সোহেলকে গ্রেপ্তারের জন্য তাঁর পিছু নেয়। গোয়েন্দা পুলিশের দলটি প্রেসক্লাবের ভেতর দিয়ে সচিবালয়ের সামনে যায়, এরপর গুলিস্তানের জিরো পয়েন্টের সামনে গিয়ে অবস্থান নেয়। তবে কাউকে গ্রেপ্তার বা আটকের খবর পাওয়া যায়নি।
অনশন কর্মসূচি শেষের একটু আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ কর্মসূচিতে একাত্মতা জানাতে প্রেসক্লাবে আসেন। তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন এবং এর মধ্য দিয়ে অনশন কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল।
এ সময় ফখরুল ইসলাম বলেন, বিকেল চারটা পর্যন্ত অনশন চলার কথা থাকলেও কর্তৃপক্ষের অনুরোধের কারণে বেলা একটায় অনশন কর্মসূচি শেষ করা হয়েছে। এই কর্মসূচি থেকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানান তিনি
অনশন কর্মসূচিতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের দিনব্যাপী অনশন আমরা বেলা একটার মধ্যে শেষ করতে বাধ্য হচ্ছি। এই সরকার আমাদের নেত্রী খালেদা জিয়াকে জেলে রেখে, বিএনপিকে দুর্বল করে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখতে চায়। খালেদা জিয়া ও বিএনপিকে ছাড়া এ দেশে নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না।’
স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের মানুষের স্বাধীনতা নেই। অথচ একাত্তর সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়েছিল। দেশের স্বাধীনতা আজকে হুমকির মুখে। আজকে চার দিন ধরে যাঁরা খালেদা জিয়াকে কারাগারে ডিভিশন দেননি, তাঁদের ব্যাপারে মামলা করার প্রক্রিয়া গ্রহণ করার জন্য দলের মহাসচিবকে অনুরোধ করেন তিনি।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনশন কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, কেন্দ্রীয় নেতা বরকত উল্লাহ বুলু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আবদুস সালাম, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন, হাবিব-উন-নবী খান সোহেল প্রমুখ। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের এবং ২০–দলীয় জোটের নেতারা বক্তব্য দেন।
Friday, February 9, 2018
মাইকেল সাইমনসকে কেউ চিনেন??
মাইকেল সাইমনসকে কেউ চিনেন??
তার বয়স মাত্র ২১ বছর।আর এই ২১ বছর বয়সের ছেলেটাকে নিয়ে টানাটানি করে গুগোল আর ফেসবুক। কেন জানেন??? তাদের প্রতিষ্ঠানে চাকরী করানোর জন্য!!
খুব অদ্ভুত ব্যাপার না? মাত্র ২১ বছর বয়সেই এতো বড় বড় প্লাটফর্মে তার জনপ্রিয়তা সত্যিই অবাক হওয়ার বিষয়! শুনলে হয়তো চমকেও উঠতে পারেন এই সাইমনস মাত্র ১৩ বছর বয়সে মোবাইল এপ্স বানান যা প্রথম দিনেই ৪২ কপি পরের দিন ১০০ কপি তৃতীয় দিন ১৫০ কপি বিক্রি হয়।দ্রুতই এই এপ্স বিক্রির ক্ষেত্রে সেরা ১০ এর রেকর্ড ভেঙ্গে দেয়!!তার পরের মাসেই ঘটল আসল ঘটনা এপেল কম্পানি তাকে ৫ হাজার ডলারের চেক পাঠায়।মাত্র ১৪ বছর বয়সে তার মাসিক ইনকাম দাঁড়ায় ১২ হাজার ডলার।
তিনি মাত্র ১৭ বছর বয়সে শিক্ষানবিশ কর্মকর্তা হয়ে ফেসবুকে জয়েন করেন।তারপরের বছর প্রকৌশলী হয়ে চাকরী স্থায়ী হয়।এ বছর চাকরী ছেড়ে দেওয়াতে ফেসবুক আর গুগোল তাকে নিয়ে টানাটানি করে পরে তিনি জানান গুগোলে যোগদান করতেছেন!তিনি ফেসবুকের সর্বকনিষ্ঠ কর্মকর্তা ছিলেন এবং গুগোলের সর্বকনিষ্ঠ কর্মকর্তা হবেন!!
মাইকেল সাইমনসকে নিয়ে লিখলে আরো লিখা যাবে যাইহোক মূল কথায় আসি।শুধু মাইকেল সাইমনস না উন্নত বিশ্বের যুবকেরা ২০ বছর বয়স হলেই ভাবে কিভাবে ইউনিক কিছু করা যায়।৩০ এর আগেই কিভাবে কোটিপতি বনে যাওয়া যায়!!
কিন্তু আমাদের দেশের যুবকেরা কি করে???
দুধের দাত পড়তে না পড়তেই প্রেম শিখে যায়।সুন্দরী মেয়েদের পিছে লাইন না মারলে পেটের ভাত হজম হয় না।২০ বছর বয়স হতে হতেই ৪/৫ টা ছ্যাকা খেয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুড়ে শেষ!! ওহে বৎস কি ছিল তোমার স্বপ্ন???
ওমুক মেয়েকে বিয়ে করব, হানিমুন করব, সংসার করব, হেই করব তেই করব ইত্যাদি ইত্যাদি!!!
দুধের দাত পড়তে না পড়তেই প্রেম শিখে যায়।সুন্দরী মেয়েদের পিছে লাইন না মারলে পেটের ভাত হজম হয় না।২০ বছর বয়স হতে হতেই ৪/৫ টা ছ্যাকা খেয়ে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে সব স্বপ্ন ভেঙ্গে চুড়ে শেষ!! ওহে বৎস কি ছিল তোমার স্বপ্ন???
ওমুক মেয়েকে বিয়ে করব, হানিমুন করব, সংসার করব, হেই করব তেই করব ইত্যাদি ইত্যাদি!!!
এইটারে কি স্বপ্ন বলে??? ওহে বৎস এইডা স্বপ্ন না এইটা নিয়ে না ভাবলেও এমন সময় আসবে।তো যেখানে উন্নত বিশ্বের যুবকেরা চিন্তা করে পরিশ্রম করে কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া যায় সেখানে আমরা চিন্তা করি কিভাবে হেতিরে লইয়া পালানো যায়??!! কিভাবে ঐ মাইয়াডারে পটানো যায়??!! আরে পাগলা প্রতিষ্ঠিত হতে পারলে মেয়ে পটানো লাগে না এমনেইই পটবে, ভাগায় আনা লাগবে না...মেয়ের বাপে বাড়িতে এসে দিয়ে যাবে।
আমার লেখাটা ঐসব যুবকদের জন্য যারা প্রেমের নেশায় মাতাল হয়ে রাতের পর রাত দিনের পর দিন মোবাইল ফোন কানে নিয়ে প্রেমিকার সাথে ব্যস্ত আছে।আমার লেখাটা তাদের জন্য যারা "আমি আর বাচতে চাই না, আমার সব স্বপ্ন শেষ!" এসব ভেবে দিনাতিপাত করতেছে।
আমি বলব ব্যাচ-২৭ নাটক দুইটা দেখতে।মেয়েকে পাইলটের সাথে বিয়ে দেয় কারণ তার বেতন ৩ লাখ!! মেয়েকে অপূর্বর সাথে বিয়ে দিল না কেননা তার কিছুই নাই!! ছ্যাকা খেয়ে অপূর্ব ভেঙ্গে না পড়ে সে সিদ্ধান্ত নেয় পাইলট হবে এবং সে পাইলটই হয়।
নাটক সিনেমা হয়তো বাস্তব নয় কিন্তু চেষ্টা আর জিদ করলে নাটক সিনেমাকে হার মানানো যায়।
আমি বলব ব্যাচ-২৭ নাটক দুইটা দেখতে।মেয়েকে পাইলটের সাথে বিয়ে দেয় কারণ তার বেতন ৩ লাখ!! মেয়েকে অপূর্বর সাথে বিয়ে দিল না কেননা তার কিছুই নাই!! ছ্যাকা খেয়ে অপূর্ব ভেঙ্গে না পড়ে সে সিদ্ধান্ত নেয় পাইলট হবে এবং সে পাইলটই হয়।
নাটক সিনেমা হয়তো বাস্তব নয় কিন্তু চেষ্টা আর জিদ করলে নাটক সিনেমাকে হার মানানো যায়।
সুতরাং একটা কথায় বলবো, স্বপ্ন দেখুন, "কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হব, কিভাবে বড় হব, কিভাবে এই সমাজ বদলে দিব।আমি লেখক কিংবা চিত্রনায়ক হব, আমি ক্রিকেটার নয়তো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হব ইত্যাদি ইত্যাদি!
এখন হয়তো বলতে পারেন " আব্বে ফইন্নি নীতি কথা কইতে আইছোস বয়সতো ২০ ওভার করছিস কিন্তু তুই কি করেছিস?" তাদের বলব, " ওস্তাদ খাড়ান আমিও আপনাদের দলে!"
লেখাঃ Robiul Islam Aminur(নির্লিপ্ত)
Wednesday, February 7, 2018
Tuesday, February 6, 2018
Monday, February 5, 2018
চাকরির বয়সসীমা: ভুগবে কেন তরুণেরা?
আমাদের দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩০ বছর। বিশ্বের অনেক দেশের সঙ্গে তুলনা করলে কিংবা এ দেশের বাস্তবতায় এই সময়সীমা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন কি না, এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলছে লেখালেখি-মানববন্ধন-সভা-সেমিনার-স্মারকলিপি পেশসহ বহুবিধ কর্মসূচি। সরকার কখনো কখনো চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধির পক্ষে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেই অবস্থানও বদলেছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন এখন রূপ নিয়ে অনশনে। সরকার কি অনশনকারীদের যৌক্তিকতা বিচার করবে?
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা কেন বাড়ানো প্রয়োজন?
আমাদের গড় আয়ু যখন ছিল ষাটের নিচে, তখন আমাদের চাকরি থেকে অবসরের সময় ছিল ৫৭ বছর। এখন সেই অবসরের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯ বছর। আলোচনা চলছে অবসরের সময়সীমা বৃদ্ধি করার। অবসরের সময় বাড়লে সংগত কারণে ওই দুই বছর চাকরিতে নতুনদের প্রবেশের সুযোগ কমে আসে। কারণ, ওপরের পদ শূন্য হলেই কেবল নিচের পদে জনবল নিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি হয়। সেই বিবেচনায় চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা উচিত। একই সঙ্গে অবসরের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা এবং চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করাই ছিল যুক্তিসংগত।
স্কুলিং বেড়েছে, চাকরিতে প্রবেশের সময়সীমা বাড়েনি
আমাদের দেশে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে আগে স্নাতক ছিল দুই বছরের। এখন হয়েছে তিন বছর। আগে স্নাতক (সম্মান) ছিল তিন বছরের কোর্স, এখন চার বছরের। আগে স্নাতকোত্তর শেষ করতে প্রয়োজন হতো চার বছর, এখন পাঁচ বছর। স্কুলিং এক বছর করে বাড়লেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়েনি। মেডিকেল কলেজে স্কুলিং বেশি হওয়ার কারণে তাঁদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা করা হয়েছে ৩২ বছর। তাহলে সাধারণদের স্কুলিং বেড়ে যাওয়ার পরও কেন চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়বে না?
আমাদের দেশে লেখাপড়ার ক্ষেত্রে আগে স্নাতক ছিল দুই বছরের। এখন হয়েছে তিন বছর। আগে স্নাতক (সম্মান) ছিল তিন বছরের কোর্স, এখন চার বছরের। আগে স্নাতকোত্তর শেষ করতে প্রয়োজন হতো চার বছর, এখন পাঁচ বছর। স্কুলিং এক বছর করে বাড়লেও চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়েনি। মেডিকেল কলেজে স্কুলিং বেশি হওয়ার কারণে তাঁদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা করা হয়েছে ৩২ বছর। তাহলে সাধারণদের স্কুলিং বেড়ে যাওয়ার পরও কেন চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়বে না?
পাঠক্রমে মনোযোগীদের জন্য সময় বৃদ্ধি জরুরি
বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজ পর্যায়ে স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে একদল আছে, যারা পাঠক্রম (সিলেবাস) ভালোভাবে পড়ে। একাডেমিক ফল ভালো করার প্রত্যাশায় দিন-রাত পাঠক্রম রপ্ত করতে থাকে। লক্ষ্য তাদের প্রথম শ্রেণি কিংবা ভালো সিজিপিএ অর্জন। যারা সাধারণত পাঠক্রমকেন্দ্রিক পাঠে মনোনিবেশ করে, তারা চাকরির প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে পারে না। তাদের প্রস্তুতি নিতে হয় পাঠক্রমের পরীক্ষা শেষ করার পর। ফলে তারা চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অনেক কম পায়। চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা কম হওয়ার কারণে এখন অনেকেই বিষয়ভিত্তিক পড়ালেখা কমিয়ে শুধু বিসিএস পরীক্ষাসহ অন্যান্য চাকরির গাইড পড়ে। এতে করে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পাঠক্রমে মনোযোগ দেওয়ার বেলায় নিরুৎসাহিত হন।
বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা কলেজ পর্যায়ে স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে একদল আছে, যারা পাঠক্রম (সিলেবাস) ভালোভাবে পড়ে। একাডেমিক ফল ভালো করার প্রত্যাশায় দিন-রাত পাঠক্রম রপ্ত করতে থাকে। লক্ষ্য তাদের প্রথম শ্রেণি কিংবা ভালো সিজিপিএ অর্জন। যারা সাধারণত পাঠক্রমকেন্দ্রিক পাঠে মনোনিবেশ করে, তারা চাকরির প্রস্তুতি ভালোভাবে নিতে পারে না। তাদের প্রস্তুতি নিতে হয় পাঠক্রমের পরীক্ষা শেষ করার পর। ফলে তারা চাকরির প্রস্তুতি নেওয়ার সময় অনেক কম পায়। চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা কম হওয়ার কারণে এখন অনেকেই বিষয়ভিত্তিক পড়ালেখা কমিয়ে শুধু বিসিএস পরীক্ষাসহ অন্যান্য চাকরির গাইড পড়ে। এতে করে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী পাঠক্রমে মনোযোগ দেওয়ার বেলায় নিরুৎসাহিত হন।
চাকরিপ্রার্থীদের ক্ষতির দায় কার?
একজন শিক্ষার্থী তাঁর লেখাপড়াজীবনে পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে অনেকটা সময় ক্ষতিগ্রস্ত হন। একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষা দেন। উচ্চমাধ্যমিক পাস করার কথা ১৮ বছর বয়সে। স্নাতক (সম্মান) পাস করার কথা ২২ বছর বয়সে। স্নাতকোত্তর ২৩ বছর বয়সে। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর হলে প্রত্যেকে সাত বছর করে সময় পাওয়ার কথা চাকরির জন্য, চেষ্টার জন্য। পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে তাঁদের যে সময় নষ্ট হয়, সেই সময় কি সরকার তাঁদের দিচ্ছে? এ রকম তো কোনো পদ্ধতি চালু নেই যে একজন শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর পাসের পরদিন থেকে হিসাব করে সাত বছর সময় পাবেন চাকরির চেষ্টা করার জন্য। এখন স্নাতকোত্তর শেষ করতে কারও কারও ২৬ থেকে ২৮ বছর লাগে। পদ্ধতিগত কিংবা সেশনজটগত কারণে শিক্ষার্থীর কয়েক বছর ক্ষতির দায় কে নেবে? এর একটি উপায় তাঁদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা।
একজন শিক্ষার্থী তাঁর লেখাপড়াজীবনে পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে অনেকটা সময় ক্ষতিগ্রস্ত হন। একজন শিক্ষার্থী ১৬ বছর বয়সে এসএসসি পরীক্ষা দেন। উচ্চমাধ্যমিক পাস করার কথা ১৮ বছর বয়সে। স্নাতক (সম্মান) পাস করার কথা ২২ বছর বয়সে। স্নাতকোত্তর ২৩ বছর বয়সে। সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর হলে প্রত্যেকে সাত বছর করে সময় পাওয়ার কথা চাকরির জন্য, চেষ্টার জন্য। পদ্ধতিগত ত্রুটির কারণে তাঁদের যে সময় নষ্ট হয়, সেই সময় কি সরকার তাঁদের দিচ্ছে? এ রকম তো কোনো পদ্ধতি চালু নেই যে একজন শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর পাসের পরদিন থেকে হিসাব করে সাত বছর সময় পাবেন চাকরির চেষ্টা করার জন্য। এখন স্নাতকোত্তর শেষ করতে কারও কারও ২৬ থেকে ২৮ বছর লাগে। পদ্ধতিগত কিংবা সেশনজটগত কারণে শিক্ষার্থীর কয়েক বছর ক্ষতির দায় কে নেবে? এর একটি উপায় তাঁদের চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা।
চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি কি লাভজনক?
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে কারও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরং যাঁরা সরকারি চাকরিতে নিজেদের মেধা প্রয়োগ করতে চান, তাঁদের বাড়তি সুযোগ সৃষ্টি হবে। এটা দেশের জন্য কল্যাণের। আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেপালসহ বিশ্বের অনেক দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৮-এর ওপর। বাংলাদেশের চাকরি প্রত্যাশীরা চান মাত্র ৩৫ বছর। সেটুকু বাস্তবায়নেও সরকারের অনীহা।
সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হলে কারও ক্ষতির আশঙ্কা নেই। বরং যাঁরা সরকারি চাকরিতে নিজেদের মেধা প্রয়োগ করতে চান, তাঁদের বাড়তি সুযোগ সৃষ্টি হবে। এটা দেশের জন্য কল্যাণের। আমেরিকা, দক্ষিণ আফ্রিকা, নেপালসহ বিশ্বের অনেক দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৮-এর ওপর। বাংলাদেশের চাকরি প্রত্যাশীরা চান মাত্র ৩৫ বছর। সেটুকু বাস্তবায়নেও সরকারের অনীহা।
সরকারের চেষ্টা কি সুদূর পরাহত?
২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে মহাজোট সরকার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কিছু কিছু কাজকে বেছে নিয়েছিল। এসবের মধ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করারও কথা বলা হয়েছিল। ২০১৪ সালে নির্বাচনে যেহেতু জনগণের অংশগ্রহণ খুব বেশি ছিল না, তাই হয়তো বিষয়টি চাপা পড়েছে। দেশের এক দল শিক্ষার্থী আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা বৃদ্ধি করার। কয়েক বছর আগে ঢাকায় চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করার দাবিতে বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদ আয়োজিত একটি সেমিনারে গিয়েছিলাম। সেখানে রাশেদ খান মেননও উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তিনিও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধিকরণে তিনিও ভূমিকা রাখবেন। সেই চেষ্টা আজ সুদূর পরাহত?
২০১৪ সালে নির্বাচনের আগে মহাজোট সরকার জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে কিছু কিছু কাজকে বেছে নিয়েছিল। এসবের মধ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করারও কথা বলা হয়েছিল। ২০১৪ সালে নির্বাচনে যেহেতু জনগণের অংশগ্রহণ খুব বেশি ছিল না, তাই হয়তো বিষয়টি চাপা পড়েছে। দেশের এক দল শিক্ষার্থী আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স সীমা বৃদ্ধি করার। কয়েক বছর আগে ঢাকায় চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করার দাবিতে বাংলাদেশ ছাত্র পরিষদ আয়োজিত একটি সেমিনারে গিয়েছিলাম। সেখানে রাশেদ খান মেননও উপস্থিত ছিলেন। তিনি তখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। তিনিও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধিকরণে তিনিও ভূমিকা রাখবেন। সেই চেষ্টা আজ সুদূর পরাহত?
দাবি বাস্তবায়নের জন্য আন্দোলনকারীরা অনশন শুরু করেছেন। আসলে তাঁদের অনশন হঠাৎ করে নয়। দীর্ঘদিন আন্দোলন শেষে তাঁরা অনশনে বসেছেন। আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, সবাই শুধু সরকারের শেষ বছরে এসে দাবি উত্থাপন করছেন এবং অনশনে বসছেন। কেন অনশন করছেন, তাঁদের অনশন যৌক্তিক কি না, এসব বিবেচনা করাটাই জরুরি। সরকারের এ মেয়াদে সময় আছে আর অল্প দিন। আমরা আশা করি, সরকার আন্দোলনকারীদের দাবির প্রতি যৌক্তিকভাবে সমর্থন দেবে। কারণ, তাঁরা চাকরি চাননি, বেকার ভাতা চাননি, চেয়েছেন চাকরির চেষ্টা করার অধিক সময়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি
চার স্কুলের কোচিংবাজ ৭২ শিক্ষককে শোকজ
এবার রাজধানীর এমপিওভুক্ত চারটি স্কুলের কোচিংবাজ ৭২ জন শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিল মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা (মাউশি) অধিদপ্তর। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) দুর্গা রানী সিকদার স্বাক্ষরিত নোটিশের মাধ্যমে গতকাল রবিবার তাঁদের আলাদাভাবে শোকজ করা হয়েছে।
কোচিংবাজ ওই শিক্ষকদের মধ্যে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ৩৬ জন, মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৪ জন, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাতজন ও রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাঁচজন।
মাউশি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে ওই শিক্ষকদের। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাঁদের এমপিও বাতিলেরও চিন্তাভাবনা রয়েছে অধিদপ্তরের।
নোটিশে বলা হয়েছে, দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানদল কোচিং বাণিজ্যে জড়িত অভিযোগে ঢাকা মহানগরীর ওই চার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের তালিকা করে। দুদকের সুপারিশে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা ২০১২-এর অনুচ্ছেদ ১৩-এর বিধান লঙ্ঘন করায় এসব শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলো।
গত ডিসেম্বরে রাজধানীর আট স্কুলের ৯৭ জন শিক্ষকের তালিকা প্রকাশ করেছিল দুদক। তাঁদের মধ্যে সরকারি চার স্কুলের ২৪ জন শিক্ষক এবং এমপিওভুক্ত চার স্কুলের ৭৩ জন শিক্ষক রয়েছেন। এসব শিক্ষকের বিরুদ্ধে বছরের পর বছর একই প্রতিষ্ঠানে থেকে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ করা হয়েছিল। তাই সে সময়ে সরকারি স্কুলের শিক্ষকদের বদলির সুপারিশ করেছিল দুদক। এ ছাড়া দুদকের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে মন্ত্রিপরিষদসচিবকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। সে অনুযায়ী গত ২৯ ডিসেম্বর সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষককে বদলি করা হয়। এবার এমপিওভুক্ত বিদ্যালয়ের ৭২ জন শিক্ষককে শোকজ করা হলো।
কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা ২০১২ অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তাঁর এমপিও স্থগিত, বাতিল, বেতন-ভাতাদি স্থগিত, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত, বেতন এক ধাপ অবনমিতকরণ, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত ইত্যাদি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমপিওবিহীন কোনো শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তাঁর প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত বেতন-ভাতাদি স্থগিত, বেতন এক ধাপ অবনমিতকরণ, সাময়িক বরখাস্ত, চূড়ান্ত বরখাস্ত ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে। এমপিওবিহীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষক কোচিং বাণিজ্যে জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধেও একই ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
এ ছাড়া কোচিং বাণিজ্যের সঙ্গে জড়িত শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা পর্ষদ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে সরকার পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমতি, স্বীকৃতি, অধিভুক্তি বাতিল করতে পারবে।
যাঁরা শোকজ খেলেন
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল : মো. নিজাম উদ্দিন কামাল, আব্দুল মান্নান, উম্মে ফাতিমা, মো. আজমল হোসেন, আব্দুল হালিম, গোলাম মোস্তফা, আশরাফুল আলম, সুবাস চন্দ্র পোদ্দার, লাভলী আখতার, তাসমিন নাহার, মতিনুর, উম্মে সালমা, মো. আব্দুল জলিল, মোহাম্মদ ফখরুদ্দীন, মনিরা জাহান, ফাহমিদা খানম পরী, লুত্ফুন নাহার, হামিদা বেগম, নাজনীন আক্তার, উম্মে সালমা-২, তৌহিদুল ইসলাম, সুরাইয়া জান্নাত, মো. সফিকুর রহমান-৩, মো. শফিকুর রহমান সোহাগ, নুরুল আমিন-২, মনিরুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, অহিদুজ্জামান, মাকসুদা বেগম মালা, আলী নেওয়াজ আলম করিম, মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. আব্দুর রব, মো. শফিকুল ইসলাম, মো. মাহবুবুর রহমান ও মো. মোয়াজ্জেম হোসেন।
মতিঝিল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ : এনামুল হক, মেজবাহুল ইসলাম, সুবীর কুমার সাহা, মো. সাইফুল ইসলাম, মোহনলাল ঢালী, বাসুদেব সমাদ্দার, বকুল বেগম, আসাদ হোসেন, প্রদীপ কুমার বসাক, আবুল খায়ের, শারমীন খানম, মো. কবীর আহমেদ, খ ম কবীর আহমেদ, মো. দেলোয়ার হোসেন, মাও. কামরুল হাসান, মো. রুহুল আমিন-২, মো. কামরুজ্জামান, শেখ শহীদুল ইসলাম, শুকদেব ঢালী, হাসান মঞ্জুর হিলালী, আমান উল্লাহ আমান, হামিদুল হক খান, রমেশ চন্দ্র বিশ্বাস ও চন্দন রায়।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ : ড. ফারহানা, শাহনেওয়াজ পারভীন, সুরাইয়া নাসরিন, কামরুন্নাহার চৌধুরী, লক্ষ্মী রানী, ফেরদৌসি ও নুশরাত জাহান।
রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ : এ বি এম মইনুল ইসলাম, মো. আলী আকবর, মো. রেজাউর রহমান, মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ কামরুজ্জামান।
আগামীকাল ৬ ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা কলেজ আন্তঃ বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল হিসাবিজ্ঞান বনাম অর্থনীতি বিভাগের খেলা সকাল ১০ টা
আগামীকাল ৬ ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা কলেজ আন্তঃ বিভাগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল হিসাবিজ্ঞান বনাম অর্থনীতি বিভাগের খেলা সকাল ১০ টা থেকে অনুষ্ঠিত হবে... ফাইনাল খেলা উপভোগ করার জন্য সবাই আমন্ত্রিত
Sunday, February 4, 2018
Subscribe to:
Posts (Atom)










