Saturday, February 3, 2018

ইডেন মহিলা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইতিহাস ও বর্তমান

ইডেন মহিলা কলেজের উৎপত্তি হয়েছিল ব্রাহ্মন মেয়েদের জন্য “শুভ স্বাধিনি সেবা” নামক একটি মানব হিতৈষী সংস্থা কর্তৃক ঢাকায় ১৮৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্কুল থেকে। প্রাথমিকভাবে ফরাশগঞ্জের একটি প্রাইভেট বাড়িতে বিদ্যালয় এর কার্যক্রম পরিচালিত হত। ১৮৭৮ সালে এটি আরেকটি প্রাইভেট মহিলা বিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত হয়ে “ঢাকা মহিলা বিদ্যালয়” প্রতিষ্ঠা করে। একই বছর বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ বিদ্যালয়টিকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় আনার সিদ্ধান্ত নেয় এবং গভর্নর লেফটেনেন্ট স্যার অ্যাসলে ইডেনের নামানুসারে বিদ্যালয়টির নাম ইডেন বালিকা বিদ্যালয় রাখার প্রস্তাব করেন। নতুন পদমর্যাদায় এটি নতুন ঠিকানা লক্ষ্মীবাজারে কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করে।
ইডেন বাংলার প্রথম সরকারি মহিলা বিদ্যালয়। ১৮৯৬-৯৭ এর দিকে এর ছাত্রী সংখ্যা ছিল ১৬০ জন। এই বিদ্যালয়টি পূর্ব বঙ্গ ও আসামের ভেতরে একটি অসাধারণ বিদ্যালয় হিসেবে সরকার কতৃক স্বীকৃত ছিল। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে বিদ্যালয়টির ভবন ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় একটি প্রাইভেট বাসায় বিদ্যালয়টি অস্থায়ী ভাবে স্থানান্তরিত হয়। কিছুদিন বাদে বিদ্যালয়টি সদরঘাটের একটি পর্তুগিজ ব্যবসায়ীর বিশাল ব্যাবসায়িক বাংলোতে স্থানান্তরিত হয়। ১৯২৬ সালে বিদ্যালয়টি উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে উন্নিত হয়। সেই থেকে প্রতিষ্ঠানটির নাম হয় ইডেন মহিলা বিদ্যালয় ও ইন্টারমিডিয়েট কলেজ । এ.কে. ফজলুল হক তার শিক্ষা মন্ত্রী থাকাকালীন সময়ে স্কুলটিকে আব্দুল গনি রোডের একটি নতুন ভবনে স্থানান্তরিত করা হয়। যা পরবর্তীতে “ইডেন ভবন” হিসেবে পরিচিতি পায়। ১৯৪৭ সালে সরকার ভবনটিতে প্রাদেশিক সচিবালয় স্থাপনের সিধান্ত নেয় এরই সাথে প্রতিষ্ঠানটির নতুন অস্থায়ী ঠিকানা হয় কার্জন হলের একটি অংশে। ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন প্রতিষ্ঠানটিকে অনিশ্চয়তার ভিতরে ফেলে এবং এরই কারনে কামরুননেচ্ছা স্কুল ও কলেজের সাথে এটি একত্রিত হয়ে যাবার পরিকল্পনা করে, সেই লক্ষেই পরবর্তীতে এটি আবার স্তানান্তরিত হয়। ১৯৫৮ সালে এই দুটি শিক্ষা প্রতিস্থানের কলেজ অংশ একত্রিত হয়ে ইডেন মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। নতুন এই কলেজটির স্থান হয় বকশীবাজারে। এই দুটি প্রতিস্থানের বিদ্যালয় অংশ একত্রিত হয়ে কামরুননেচ্ছা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় যার ঠিকানা হয় টিকাটুলি।
ইডেন কলেজের বর্তমান ক্যাম্পাস ১৯৬২ সালে আজিমপুরে ১৮ একর জায়গা জুড়ে প্রতিষ্ঠিত হয়। একই সময়ে প্রতিষ্ঠানটি এর ডিগ্রি কার্যক্রমও চালু করে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানটির উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কার্যক্রম বকশীবাজারেই পরিচালিত হতে থাকে। একই সাথে ইডেন কলেজের আজিমপুর কাম্পাস নতুনভাবে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করে। বকশীবাজার ক্যাম্পাসও স্বাতন্ত্র্যভাবে ডিগ্রি কার্যক্রম পরিচালনা করতে শুরু করে, যা পরবর্তীতে গভর্নমেন্ট গার্লস কলেজ এবং আরও পরে বদরুনন্নেছা কলেজ হিসেবে নামকরন করা হয়।
১৯৬৩ সাল থেকে ইডেন কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাস স্বাতন্ত্র্য পরিচয় পায়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ৬টি ভবন ছাড়াও ৫ টি ছাত্রী নিবাস রয়েছে। ১০০০ আসন বিশিষ্ট ১১ তলার একটি আধুনিক ছাত্রী নিবাস এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির ২ তলা বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ৪৪, ০০০ বই আর ২, ০০০ জার্নালের এক বিশাল সংগ্রহ। এটি ছাত্রীদের দিবা – রাত্রি পড়াশোনার সুযোগ করে দিয়েছে। এছাড়াও ২২ টি ডিপার্টমেন্ট এর পৃথক সেমিনার কক্ষ রয়েছে। কলেজ সংলগ্ন অধ্যক্ষের বাসভবনের সাথে ৪ টি কলোনি রয়েছে হোস্টেলের সুপারেন্টেন্ড দের জন্য।ইডেন মহিলা কলেজের একটি প্রশাসনিক ভবন ও চারটি একাডেমিক ভবন রয়েছে। বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে ২২ টি ডিপার্টমেন্ট বি.এ. অনার্স এবং (এম.এ. – ১ ও এম. এ. শেষবর্ষ সহ) মাস্টার্স কোর্স অফার করছে। খুব সীগ্রই আই. সি. টি. ডিপার্টমেন্ট কার্যক্রম শুরু করবে। কলেজ ক্যাম্পাস এখন ওয়াই-ফাই জোনের আওতায় আনা হয়েছে। কলেজটিতে বর্তমানে প্রায় ৩৫, ০০০ ছাত্রী এবং ২৪০ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন।

কবি নজরুল সরকারি কলেজ

গর্ভনর স্যার জর্জ ক্যামুকেলের আমলে Madrasa Reforms committee এর অনুমোদনে মহসিন ফান্ডের টাকায় ১৮৭৪ সালে আলিয়া মাদ্রাসা নামে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে তিনটি নতুন মাদরাসা স্থাপন করা হয়। পরবর্তীতে হাজী মুহসিন এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নব প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসাগুলোর নাম দেওয়া হয় মোহাসিনিয়া মাদ্রাসা। ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা বহুল পরিচিতি লাভ  করায় ‘ঢাকা মাদ্রাসা’ নামে পরিচিত হয়। বৃটিশ শাসন আমলে বাংলাদেশে এগুলো মুসলমানদের জন্য করা প্রথম সরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ১৮৭৪ সালে ১৬৯ জন ছাত্র নিয়ে ভীরু পদক্ষেপে যে মাদ্রাসার যাত্রা শুরু হয়েছিল, তার নাম পরবর্তিতে রূপান্তর করে ‘কবি নজরুল সরকারী কলেজ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

প্রতিষ্ঠাকাল
১৮৭৪ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করা হয়। এটি একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
ঠিকানা ও যোগাযোগ
লক্ষীবাজার, ঢাকা-১১০০।
ফোন: +৮৮-০২-৭১৫০৬৭, ৭১৬৩৮৬৬
ওয়েব: www.kncollege.gov.bd
ই-মেইল: info@kncollege.gov.bd

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি:
বিভাগ
ন্যূনতম জিপিএ
বিজ্ঞানজিপিএ ৩,৫০
ব্যবসায় শিক্ষাজিপিএ ৩.০০
মানবিকজিপিএ ২.০০
শিক্ষার্থীদের টেলিটক মোবাইল থেকে এস.এম.এস এর মাধ্যমে আবেদন করতে হয়। কলেজের ইআইএন নাম্বার ১০৮৫০৭।

অনুষদ ও বিষয়
ফ্যাকাল্টি সংখ্যা তিনটি যথা-
(ক) ব্যবসায় অনুষদ
(খ) কলা অনুষদ
(গ) বিজ্ঞান অনুষদ

ব্যবসায় অনুষদ
(i) ব্যবস্থাপনা
(ii) হিসাব বিজ্ঞান
বিজ্ঞান অনুষদ
(i) পদার্থ বিজ্ঞান   
(ii) রসায়ন বিজ্ঞান
(iii) উদ্ভিদ বিজ্ঞান  
(iv) প্রাণি বিজ্ঞান
(vi) ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞান।
কলা অনুষদ
(i) বাংলা  
(ii) ইংরেজি
(iii)  ইসলামিক স্টাডিজ
(iv) আরবি
(v) রাষ্ট্র বিজ্ঞান
(vi) অর্থনীতি
(vii) দর্শন     
(viii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি
(ix) ইতিহাস বিভা

শিফট
এখানে শুধুমাত্র ‘ডে’ শিফট প্রচলিত।

একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি
একাদশ শ্রেণীতে এস এম এসের মাধ্যমে ও সরাসরি গিয়ে ফরম পূরণের মাধ্যমে ভর্তি হওয়া যাচ্ছে। ফরমের দাম ১৩০ টাকা।

ভর্তি কার্যক্রম ( স্নাতক)
ভর্তি কার্যক্রম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। নিদিষ্ট সময়ে ভর্তি ফরম Online এ পূরন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ফরম এর টাকা নির্ধারন করে থাকে। অনেক সময় কলেজে Online-এর মাধ্যমে ভর্তি ফরম পূরন করে থাকে বিভিন্ন ব্যক্তিরা তবে, এক্ষেত্রে নিদিষ্ট চার্জ দিতে হয় তাদের।       
  •  ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ন প্রার্থীদের তাদের মেধাক্রম অনুযায়ী সাক্ষাৎকার নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। এর জন্য তাদেরকে কলেজ ঢুকে বাম দিকে তথ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে বলা হয়। নিদিষ্ট ফ্যাকাল্টি নিদিষ্ট ভাবে সাক্ষাৎকার নেওয়ার ব্যবস্থা করে ভর্তির টাকা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক নির্ধারিত তবে ২০০০ (দুই হাজার) থেকে ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা লাগে। ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যা যা লাগে তা সাক্ষাৎকার দেওয়ার পূর্বে বোর্ডে লেখা থাকে। ভর্তি পরীক্ষার এডমিট কার্ড, এসএসসি, এইচএসসির মূলসনদের ফটোকপি ও সত্যায়িত ছবি অধ্যায়ন কালীন প্রতিষ্ঠানের প্রশংসাপত্র লাগে। অপেক্ষমানদের জন্য আসন খালি থাকা সাপেক্ষে তাদের সাক্ষাৎ করে ডাকা হয়। এর জন্য কলেজে প্রশাসনিক ভবনের নিচে অথবা নিদিষ্ট জায়গায় নোটিস দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী নিয়ম অনুসরন করতে হয়।
  • ভর্তির জন্য বিষয় ভিত্তিক প্রতি ইয়ারে প্রায় ৩০০০ থেকে ৪০০০ টাকার মত লাগে।

বৃত্তি তথ্য
 বৃত্তির সুবিধা আছে প্রতিটি বিভাগের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য।
  • সাধারনত গরীব ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা হয়।
  • যে বৃত্তি গুলো দেওয়া হয় সেগুলো হলো-
  • সেনা কল্যাণ বৃত্তি  
  • বোর্ড বৃত্তি 
  • প্রতিবন্ধী বৃত্তি ফান্ড।
  • সেনা কল্যাণ বৃত্তির জন্য সেনা কল্যাণ ভবন থেকে বৃত্তির ফরম নিয়ে পুরুন করে তা সেখানে জমা দিতে হবে অথবা কলেজ কর্তৃপক্ষের নিকট জমা দিলেও চলে।
এছাড়া বোর্ড বৃত্তি ও প্রতিবন্ধী বৃত্তি ফরম কলেজ নিজ ফ্যাকাল্টি থেকে পাওয়া যায়। বৃত্তির জন্য নিদিষ্ট রেজাল্ট নির্ধারন করা হয় বোর্ড ভিত্তিক।

ফলাফল পদ্ধতি
অনার্স ও মাস্টার্সের সনাতন পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হয়। এইচ এস সিতে বোর্ড নির্ধারিত গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ হয়।

লাইব্রেরি
বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি রয়েছে। এটা শুধু কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকে। বই বাসায় নেওয়া যায় না। বিভিন্ন একাডেমিক বইসহ দৈনিক পত্রিকাগুলো পাওয়া যায়। বসার জন্য ৪টা টেবিল, চেয়ার সংখ্যা প্রায় ৪০ টা । লাইব্রেরীটি বি-ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত।

ছাত্র সংসদ
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ রয়েছে । তবে এটির কার্যক্রম আপাতত স্থগিত ।

ক্যান্টিন
কবি নজরূল সরকারী কলেজে ক্যান্টিনের ব্যবস্থা নেই।

হোস্টেল
হোস্টেল রয়েছে একটি, যার নাম শহীদ সামসুল আলম ছাত্রাবাস। অবস্থান ৩নং মোহনী মোহনলেনে। ছাত্রাবাসে থাকার জন্য প্রতিবছর নিদিষ্ট সময়ে ছাত্রছাত্রীদের হোষ্টেল সুপার বরাবর দরখাস্ত করতে হয়। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা আসন পেয়ে থাকে। হোষ্টেল সুপার সহ তার সহযোগী ব্যক্তিরা হোস্টেল দেখাশুনা করেন।
হোস্টেলে রয়েছে ডাইনিং এটা দুই তলা বিশিষ্ট। এখানে ১২০-১৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ডাইনিং এর ব্যবস্থা করা হয়। সকালে ভাত-ভাজি-ভর্তা -ডাল, দুপুরে ভাত-মাংশ-মাছ-ডিম-সবজী, রাতে ভাত-ডাল-মাছ-মাংশ-ডিম এর ব্যবস্থা করা হয়। খাবারের জন্য দুপুর ও রাতে প্রতি মীল পড়বে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, সকালে ১৫ টাকার মত পড়ে।
  • হোষ্টেলের জীবন মান সাধারন। বিদ্যুৎ ও পানির ভাল  ব্যবস্থা রয়েছে।
  • স্বাস্থ্য ও ব্যায়মাগার নেই, বিনোদনের জন্য টিভি রুম আছে। যার ধারন ক্ষমতা ১৫ থেকে ২০ জন।
  • হোস্টেলে কোন লাইব্রেরী নাই।

ক্লাব
BNCC ও রোভার স্কাউট রয়েছে। সদস্য হতে হলে BNCC ও রোভার স্কাউটের অফিসে গিয়ে ফরম পুরন করে জমা দিতে হয়। ফরম এর মূল্য ৫০ টাকা।

সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ

সরকারী শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভূক্ত একটি কলেজ। এই কলেজটি ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। একাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে পাঠদানের পাশাপাশি স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কোর্সের ব্যবস্থা রয়েছে। একাদশ শ্রেণিতে এই কলেজে ভর্তি হতে হলে এস.এম.এস এর মাধ্যমে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হবে। কলেজের ইআইআইএন (EIIN) নাম্বার: ১০৮৫০৮।

অবস্থান
কবি নজরুল কলেজ সংলগ্ন ভিক্টোরিয়া পার্ক মোড় থেকে পূর্ব দিকে লক্ষ্মীবাজার রোডের শেষ মাথায় হাতের বাম পাশে মেইন রোড থেকে কিছুটা ভিতরে এই কলেজটি অবস্থিত।

ওয়েবসাইট: www.govsscdhkbd.com
ভর্তি প্রক্রিয়া
একাদশ:
  • একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে অনলাইনে এস.এম.এস করে ভর্তির জন্য আবেদন করতে হয়।
  • ভর্তি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য জানতে এখানে ক্লিক করুন

স্নাত্ক ও স্নাতকোত্তর:
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত এই কলেজটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি করা হয়।
  • ভর্তির ক্ষেত্রে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য সমান সুযোগ রয়েছে।
  • ছাত্রীদের জন্য আলাদা কোটা নেই।
  • ফলাফল নোটিশ বোর্ডে দেওয়া হয়।
  • ভর্তির জন্য উত্তর পাশের ভবনের ২য় তলায় যোগাযোগ করতে হয়।
  • অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তির জন্য আসন খালি থাকা সাপেক্ষে ৭-১৫ দিনের মধ্যে ডাকা হয়।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
উচ্চ মাধ্যমিকের ক্ষেত্রে
  • এস.এস.সি পাশের নম্বরপত্র ও প্রশংসা পত্রের মূল কপি ও সত্যায়িত কপি।
  • ৬ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি।

স্নাতকে কোর্সের  ক্ষেত্রে
  • এস.এস.সি  ও এইচ.এস.সি পরীক্ষা পাশের নম্বরপত্র ও প্রশংসা পত্রের মূল কপি ও সত্যায়িত কপি।
  • ৬ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি। ছবি সত্যায়িত হতে হয়।

মাস্টার্স কোর্সের  ক্ষেত্রে
  • এস.এস.সি, এইচ.এস.সি ও স্নাতক পাশের নম্বরপত্র ও প্রশংসা পত্রের মূল কপি ও সত্যায়িত কপি।
  • ৬ কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙ্গিন ছবি।

ভর্তি ফি
শ্রেণীর নামসর্বনিম্ন খরচসর্বোচ্চ খরচ
এইচ.এস.সি
২,০০০
২,৫০০
স্নাতক (পাশ)
৩,০০০
৩,৫০০
স্নাতক (সম্মান)
৩,৫০০
৫,০০০
মাস্টার্স
৩,০০০
৪,০০০

কোর্স ও খরচ
কোর্সের নাম
মেয়াদ
সময়
সর্বনিম্ন
সর্বোচ্চ
উচ্চ মাধ্যমিক
২ বছর
২ বছর
১২,০০০
১৫,০০০
স্নাতক (পাশ)
৩ বছর
সাড়ে ৪ বছর
১৫,০০০
২০,০০০
স্নাতক (সম্মান)
৪ বছর
সাড়ে ৫ বছর
২০,০০০
৩০,০০০
মাস্টার্স (প্রিলি)
২ বছর
৩ বছর
১৫,০০০
২০,০০০
মাস্টার্স (শেষ)
১ বছর
দেড় বছর
১০,০০০
১৫,০০০

ফি পরিশোধ প্রক্রিয়া
  • ভর্তির সময় এককালীন অর্থ দিয়ে ভর্তি হতে হয়।
  • মাসিক বেতন মাত্র ২০ টাকা।
  • বছর শেষ হলে পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় একত্রে সারা বছরের বকেয়া পরিশোধ করা যায়। এজন্য কোন বিলম্ব ফি দিতে হয় না।

লাইব্রেরী
  • লাইব্রেরীটি পশ্চিম পাশের বিল্ডিং এর নীচ তলায় অবস্থিত।
  • এখানে পাঠ্যবই, গল্পের বই, উপন্যাসের বই রয়েছে।
  • কলেজের শিক্ষার্থীরা পরিচয়পত্র দেখিয়ে বই বাসায় নিয়ে যেতে পারে।
  • লাইব্রেরীতে বসার জন্য সাধারণ কাঠের বেঞ্চ ও টেবিল রয়েছে।

ক্লাস সময়
  • সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত ক্লাস হয়। প্রতিটি ক্লাসের ব্যাপ্তিকাল ৪৫ মিনিট। শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারী ছুটির দিন বন্ধ থাকে।

বেগম বদরুন্নেছা সরকারী মহিলা কলেজ

এই কলেজটি ১৯৪৮ সালে ইডেন কলেজের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তী পর্যায়ে ২০০৪ সালে ১৬ টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করে। এছাড়া বাংলা, ইংরেজী, সমাজ বিজ্ঞান, ইতিহাস, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, ইসলামী ইতিহাস এবং সমাজ কল্যাণ বিষয়ে মাষ্টার্স কোর্স চালু রয়েছে।

ঠিকানা
৭, বকশী বাজার, ঢাকা- ১২১১।
(কাদিয়ানী মসজিদের উত্তর-পূর্ব পাশে, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ফজলে রাব্বী হলের পূর্বে।)
ফোন-০২-৭৩০০৬৯৯
ই-মেইল- principal@bbggc.gov.bd
ওয়েব সাইট- www.bbggc.gov.bd

ধরন
সরকারী মহিলা কলেজ এবং সরকারী বিধিমোতাবেক সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষক-শিক্ষিকা দ্বারা পরিচালিত।
 কোর্স ভেদে ভর্তির যোগ্যতা
ডিগ্রী পাস, অনার্স এবং মাষ্টার্স কোর্সে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমোতাবেক ভর্তি করা হয়। অনার্সের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকে। আর এইচ.এস.সি ভর্তির ক্ষেত্রে বোর্ডের নীতি অনুসরণ করা হয়।
  • ডিগ্রী (পাস) ভর্তির আবেদনের ক্ষেত্রে এস.এস.সি এবং এইচ.এস.সি উভয় পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ৪.০০ থাকতে হয়।
  • অনার্সে ভর্তির ক্ষেত্রেও আবেদনের ন্যূনতম যোগ্যতা ডিগ্রী (পাস) এর মতই।
  • মাস্টার্স ১ম ও শেষ পর্বে ভর্তির ক্ষেত্রে ডিগ্রী পাস বা অনার্সে ন্যূনতম ২য় শ্রেণী থাকতে হয়।

ভর্তির প্রক্রিয়া
ক) কলেজ প্রাঙ্গনে অবস্থিত একাডেমিক ভবনের নীচতলায় অফিস কাউন্টার থেকে ফরম কেনা ও জমা দেয়া যায়। কোর্স ভেদে ফরমের মূল্য ১০০ থকে ২০০ টাকা।
খ) ডিগ্রী পাস ও অনার্সে ভর্তির ক্ষেত্রে এইচ.এস.সি পর্যায়ের সিলেবাস থেকে প্রশ্ন করা হয়। বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশিত সময়ে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হয়।
গ) ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল কলেজের নোটিশ বোর্ড এবং ওয়েবসাইটে দেয়া হয়।

ভর্তির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
ক) এইচ.এস.সি-তে ভর্তির ক্ষেত্রে এস.এস.সি পরীক্ষার পাশের টেবুলেশন সীট ও প্রশংসাপত্র (মূলকপি) এবং ৪ থেকে ৬ কপি রঙ্গীন ছবি দিতে হয়।
খ) ডিগ্রী পাস ও অনার্স ভর্তির ক্ষেত্রে এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষা পাসের টেবুলেশন সীট ও প্রশংসাপত্র এবং ৪ থেকে ৬ কপি রঙ্গীন ছবি জমা দিতে হয়।
গ) মাস্টার্সের ক্ষেত্রে এস.এস.সি, এইচ.এস.সি ও ডিগ্রী শ্রেণীর পাসের টেবুলেশন সীট, মার্কসীট, প্রশংসাপত্র ও ৬ থেকে ৮ কপি রঙ্গীন ছবি জমা দিতে হয়।

অপেক্ষমান তালিকা
ফলাফল প্রকাশের দিনেই অপেক্ষমান তালিকা দেয়া হয়। মেধা তালিকা থেকে ভর্তি শেষে ৭ থেকে ১‌৫ দিনের মধ্যে অপেক্ষমান তালিকা থেকে ভর্তি করা হয়।

বিভিন্ন কোর্সের মেয়াদ
কোর্সের নাম
কোর্সের মেয়াদ
সাধারণত যতটা সময় প্রয়োজন হয়
এইচ,এস,সি
২ বছর
২ বছর
ডিগ্রী (পাস)
৩ বছর
৪ বছর
অনার্স (৪ বছর)
৪ বছর
৬ বছর
মাস্টার্স (১ম পর্ব)
২ বছর
৩ বছর
মাস্টার্স (শেষ পর্ব)
১ বছর
দেড় বছর

বিঃ দ্রঃ সেশনজটের কারণে উল্লেখিত কোর্সে সাধারণত বেশি সময় প্রয়োজন হয়ে থাকে।
ভর্তি ফি ২,০০০ থেকে ২,৫০০ টাকা।

বিভিন্ন কোর্স সম্পন্ন করতের আনুমানিক খরচ
কোর্সের নাম
সর্বনিম্ন খরচ
সর্বোচ্চ খরচ
এইচ,এস,সি
৮,০০০ টাকা
৯,০০০ টাকা
ডিগ্রী পাস (অনার্স)
১৫,০০০ টাকা
১৬,০০০ টাকা
মাস্টার্স (১ম পর্ব)
১০,০০০ টাকা
১২,০০০ টাকা
মাস্টার্ন (শেষ পর্ব)
৭,০০০ টাকা
৮,০০০ টাকা

অবকাঠামো
কলেজের মোট ৪ টি ভবন আছে। যা উত্তর, পূর্ব, পশ্চিম ও দক্ষিণ ভবন নামে পরিচিত। মোট ৪১ টি ক্লাস রুম, তিনটি পরীক্ষাগার আছে।
ক) উত্তর ভবনের ৩য় তলা। (উদ্ভিদবিজ্ঞান ও প্রাণীবিদ্যা)।
খ) দক্ষিণ ভবনের ২য় তলা (পদার্থ ও রসায়ন পরীক্ষাগার)।
গ) পূর্ব ভবনের ২য় তলা। (ভূগোল)।

লাইব্রেরী
লাইব্রেরীটি উত্তর ভবনের ৩য় তলায় অবস্থিত। দেশী ও বিদেশী মিলিয়ে ৪০,০০০ পাঠ্য বই আছে। কার্ড এর মাধ্যমে লাইব্রেরী ব্যবহার করতে হয় শিক্ষার্থীদের।

ক্লাশ রুম
বসার জন্য সাধারণ বেঞ্চ আছে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা ও মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর নেই। কোন পরীক্ষা হল না থাকায় ক্লাশ রুমেই পরীক্ষা নেয়া হয়।

ভাতাদি ও অন্যান্য
অন্ধ ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সমাজ কল্যাণ ফান্ডের ব্যবস্থা আছে। সরকারী অন্যান্য বৃত্তির ব্যবস্থাও রয়েছে।

অডিটোরিয়াম
কলেজটিতে ১ টি নিজস্ব অডিটোরিয়াম রয়েছে। যা বেগম সুলতানা কামাল অডিটোরিয়াম নাম পরিচিত। এটি একাডেমিক ভবনের পিছনে অবস্থিত। এর ধারন ক্ষমতা প্রায় ৫০০ জন।

আবাসিক সুবিধা
ক) মোট ২ টি হল রয়েছে।
খ) ছাত্রীদের জন্য হল। যা পুরাতন ও নতুন হোষ্টেল নামে পরিচিত।
গ) সিট খালি থাকা সাপেক্ষে হলে সিট পাওয়া যায়। হলে থাকতে হলে রাজনৈতিক বিবিচনা প্রধান বিষয়। প্রতি রুম ৮ জন করে থাকে।
ঘ) হলে থাকা খাওয়ার জন্য মোট ৮০০ থেকে ১,০০০ টাকার প্রয়োজন হয়।
ঙ) হলগুলো কলেজের মূল ভবনের পিছনে অবস্থিত।

  • কলেজের সামনে একটি বিশাল মাঠ রয়েছে।
  • এই কলেজটিতে কোন ছাত্র ইউনিয়ন বা ক্লাব নেই ।

ক্যান্টিন
একটি ক্যান্টিন রয়েছে। যা উত্তর ভবনের পূর্ব পাশে অবস্থিত। অন্যান্য হোটেলের মত খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। দাম বাজারমূল্য অনুযায়ী শুক্রবার ও অন্যান্য ছুটির দিন ব্যাতিত প্রতিদিন বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ক্যান্টিন খোলা থাকে।

পরিবহণ
ছাত্রী পরিবহনে জন্য সবেমাত্র দুটি নতুন বাস সংযোজন করা হয়েছে। তবে তা এখনো চালু করা হয়নি। রুট নির্ধারণের কাজটি এখনো বাকি।

ড্রেসকোড
সাদা পোশাক।

সময়সূচী
ক্লাশ সকাল ৮.৩০ থেকে দুপুর ২.৩০ পর্যন্ত চলে আর শুক্রবার সাপ্তাহিক বন্ধ থাকে। অন্য কোন শিফট নেই।

তিতুমীর কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফর্ম পূরণের বিজ্ঞপ্তি


তিতুমীর কলেজ

কলেজটির প্রতিষ্ঠা বছর ১৯৬৫। তিতুমীর কলেজ ঢাকার পুরাতন কলেজের মধ্যে একটি। পাকিস্তান শাসনামলে কলেজটি জিন্নাহ কলেজ নামে পরিচিত ছিল। কলেজটি সরকারী হওয়ার সুবাদে ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা এখানে ছুটে আসে। কলেজটি প্রতিষ্ঠার শুরুতে ইন্টারমিডিয়েট পর্যায়ে পাঠদান করা হতো। পর্যায়ক্রমে কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম ডিগ্রী এবং অনার্স পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। অনার্স কার্যক্রম চালুর প্রাথমিক অবস্থায় শুধুমাত্র বাংলা এবং রসায়ন বিষয়ে পাঠ দান করা হতো। তিতুমীর কলেজটির কলেজ কোড ৬৪২৩। কলেজটিতে দুটি স্বেচ্ছাসেবক ইউনিট রয়েছে; (১) বিএনসিসি এবং (২) রোভার স্কাউট।

ঠিকানা এবং অবস্থান

সরকারী তিতুমীর কলেজ
ওয়্যারলেস গেইট, মহাখালী, ঢাকা।
ফোন: ৮৮-০২-৯৮৯৯৪৯০
ইমেইল: info@titumircollege.gov.bd

পরিচালিত অনার্স কোর্স এবং বিষয়

ক্রমিকনং
অনার্স কোর্স
বিষয়
০১.
বিএসসি অনার্সউদ্ভিদবিদ্যা, রসায়ন, গণিত, পদার্থ বিদ্যা এবং প্রাণীবিদ্যা।
০২.
বিকম অনার্সহিসাবরক্ষন, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং, ব্যবস্থাপনা ও মার্কেটিং।
০৩.
বিএসএস অনার্সঅর্থনীতি, সমাজ কল্যান, সমাজ কর্ম।
০৪.
বিএ অনার্সবাংলা, ইংরেজী, সাধারন ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি, ইসলামিক স্ট্যাডিজ, দর্শন এবং রাষ্ট্রবিজ্ঞান।
  • অনার্স কোর্স সম্পন্ন করতে ৪ বছর সময় লাগে।
  • জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীনে অনার্স কোর্সগুলো পরিচালিত হয়ে থাকে।
  • অনার্স কোর্স সম্পন্ন করতে ৩০,০০০ টাকা থেকে ৩৫,০০০ টাকা খরচ হয়ে থাকে।

ভর্তির নিয়মাবলী

  • অনার্স কোর্সে ভর্তি হতে এসএসসি এবং এইচএসসি তে সর্বমোট জিপিএ ৫ এবং পৃথকভাবে ২.৫ পেতে হবে। ও লেভেল এবং এ লেভেল পরীক্ষায় একই নিয়ম প্রযোজ্য।
  • ভর্তি পরীক্ষার ফরম জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট থেকে পুরন করে প্রিন্ট করে ফরমে প্রয়োজনীয় স্থানে পাসপোর্ট সাইজের ছবি সংযুক্ত করতে হয়। অগ্রণী ব্যাংকে ৩০০ টাকা ব্যাংক ড্রাফট করে জমা দিতে হয়। ভর্তি ফরমের সাথে এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষার মূল সনদের ফটোকপি, প্রয়োজনীয় সংখ্যক ছবি এবং প্রশংসা পত্র জমা দিতে হয়।
  • ভর্তির ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধা এবং আদিবাসী কোটা রয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা কোটা ১০% এবং আদিবাসী কোটা ৫%। ছাত্রীদের জন্য কোন কোটা নেই।
  • ফরম অফিসে জমা দেওয়ার সময় ভর্তি পরীক্ষার তারিখ জানিয়ে দেওয়া হয়।
  • ভর্তি পরীক্ষার কোন নির্দিষ্ট সিলেবাস নেই। সাধারনত পাঠ্যবই এবং সাধারন জ্ঞান থেকে প্রশ্নপত্র করা হয়।
  • ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল কলেজের নোটিশ বোর্ডে এবং ওয়েব সাইটে পাওয়া যায়।
  • প্রথমে মেধা তালিকা থেকে ভর্তি নেওয়ার পর অপেক্ষমান তালিকা থেকে পরবর্তী ভর্তির জন্য সাক্ষাত্কারের জন্য ডাকা হয়।
  • সাক্ষাত্কার দেওয়ার সময় শিক্ষার্থীকে প্রবেশপত্র, সনদপত্র সংগে নিতে হয়।
  • ভর্তি ফি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রণীত। ভর্তি ফি ২৩০০ টাকা থেকে ৩৫০০ টাকা।

লাইব্রেরী

প্রতিটি অনুষদের নিজস্ব গ্রন্থাগার বা লাইব্রেরী রয়েছে। এখানে ৭০০০ বই সংগ্রহে রয়েছে। বই বাসায় নিয়ে পড়ার ব্যবস্থা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে বই ফেরত না দিলে বইয়ের জরিমানা প্রদান করতে হয়। গ্রন্থাগারে চারটি বেঞ্চ: বিশাল এই কলেজের একমাত্র গ্রন্থাগারটির অবস্থান বিজ্ঞান ভবনের নিচতলায়। গ্রন্থাগারে আছে সাকুল্যে চারটি বেঞ্চ।

 

পরিবহন ব্যবস্থা

শিক্ষার্থীদের জন্য কলেজের বাস রয়েছে ২টি। বাসদুটি দ্বিতল। প্রথম বাসটি সকাল ১০ টার মধ্যে টঙ্গী থেকে এবং দ্বিতীয় বাসটি মিরপুর ১১, ১২ নং থেকে  ছাত্র-ছাত্রীদের কলেজে নিয়ে আসে। উভয় বাস বিকাল বেলা ৩টার সময় কলেজ থেকে ছেড়ে যায়।

হোস্টেল সুবিধা

কলেজের ছাত্রদের জন্য ১টি এবং ছাত্রীদের জন্য ৩টি হোস্টেল রয়েছে। কলেজের হোস্টেলে বাইরের ছাত্র-ছাত্রী থাকতে পারে না। সিট খালি থাকা সাপেক্ষে হোস্টেল সুপারের নিকট লিখিত আবেদন করতে হয়। হোস্টেলগুলোতে ১০০০ থেকে ১৩০০ জন ছাত্র-ছাত্রী থাকতে পারে। হোস্টেলের রুমগুলোতে ৩জন করে শিক্ষার্থী থাকতে পারে। রুমের খরচ থাকা খাওয়া সহ ৮-১০ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। হোস্টেলে সকালের নাস্তার মেনুতে রয়েছে সবজি, রুটি, পরোটা, ডাল এবং খিচুড়ি। দুপুরের মেনুতে রয়েছে ডিম, মাংস, সবজি, ভাত, মাছ, ভর্তা। রাতের মেনুতে রয়েছে ডিম, মাংস, সবজি, ভাত ও মাছ। ছাত্রদের হোস্টেলের নাম আক্কাছুর রহমান হল যা তিতুমীর কলেজের পাশে অর্চার্ড বিল্ডিং সংলগ্ন। ছাত্রীদের ১টি হলের নাম সুফিয়া কামাল হল।অন্য দুটি বনানীতে অবস্থিত।

সাংস্কৃতিক অঙ্গনে সফলতা

সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও কলেজটির আছে বেশ সফলতা। ২০০৮ সালে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় দক্ষিণ এশিয়ান উৎসব। সেখানে বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বাছাই করা শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নেন। সে অনুষ্ঠানে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী রবিউল আলম বাবু নাচে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

প্রয়োজনীয় তথ্য

  • কলেজে ২২টি বিভাগে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করা হয়। এর মধ্যে ১৯টি বিভাগে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর এবং তিনটি বিভাগে স্নাতক পাস কোর্স পড়ানো হয়। তবে এসব বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য কলেজে শ্রেণীকক্ষ আছে মাত্র ২৬টি।
  • বিজ্ঞান, কলা (মাস্টার্স ভবন) ও বাণিজ্য এই তিনটি ভবনে শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেওয়া হয়। বিজ্ঞান ভবনে ১৩টি, বাণিজ্য ভবনে আটটি ও কলাভবনে মাত্র পাঁচটি শ্রেণীকক্ষ রয়েছে।
  • কলেজটিতে মোট শিক্ষক সংখ্যা ৪৩ জন এবং ছাত্র-ছাত্রী সংখ্যা ৪৩,০০০।
  • বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ল্যাবরেটরী রয়েছে মোট ৫টি।
  • কলেজের ৪টি ভবন। ২টি ভবন ৪ তলা এবং দুটি ভবন ৩ তলা।
  • কলেজে ছাত্রীদের জন্য তিনটি কক্ষের একটি ‘কমনরুম’ রয়েছে।
  • কলেজে একটি ছাত্র ইউনিয়ন রয়েছে। এটি মূলত ছাত্রদের একটি কল্যাণমূলক সংস্থা। এই সংস্থাটি কলেজের বিভিন্ন সময়ে সংগঠিত অসংগতি মোকাবেলা করে থাকে।
  • সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত কলেজের বিভিন্ন ক্লাসগুলো অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
  • হঠাৎ কোন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে প্রাথমিক চিকিত্সা প্রদান করা হয়।
  • ক্রেডিট ট্রান্সফারের সুবিধা রয়েছে।

ইডেন মহিলা কলেজের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ফর্ম পূরণের বিজ্ঞপ্তি



সরকারি বাঙলা কলেজ

নাম : সরকারি বাঙলা কলেজ, ঢাকা
ধরন : সরকারি
অধিভুক্তি : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত : ১ অক্টোবর ১৯৬২
অধ্যক্ষ : অধ্যাপক ইমাম হোসেন
অ্যাকাডেমিক কর্মকর্তা :২১
প্রশাসনিক কর্মকর্তা : ৪০০
শিক্ষার্থী : 37,000+
উচ্চমাধ্যমিক :7,000
স্নাতক : ২৫,০০০
স্নাতকোত্তর : ৫,০০০
অবস্থান : মিরপুর , ঢাকা , বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গন : শহর়
ফোন: +৮৮-০২-৯০০০৭১১
মোবাইল-:+৮৮-০১৯১৭-৩২৮৯৩০
ই-মেইল: info@sarkaribanglacollege.gov.bd
ওয়েবসাইট: www.sarkaribanglacollege.gov.bd

সরকারি বাঙলা কলেজ
বাংলাদেশের ঢাকা শহরে
অবস্থিত একটি কলেজ যা ১৯৬২
সালের ১লা অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত
হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক
শিক্ষায় কলেজ এবং
বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা
ভাষাকে মাধ্যম হিসেবে পরিচয়
করার চাহিদা থেকে
প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম এই
কলেজটি প্রতিষ্ঠা করেন।
বর্তমানে কলেজটিতে
উচ্চমাধ্যমিক সহ স্নাতক ও
স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা
কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। ১৯৮৫
সালে কলেজটিকে সরকারিকরন
করা হয় এবং ১৯৯৭ সালে জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভূক্ত করে
কলেজটির স্নাতক ও স্নাতকোত্তর
পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ খ্রিঃ
হতে কলেজটির স্নাতক (সম্মান) ও
স্নাতকোত্তর কোর্স ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিভুক্ত করা
হয়।
------------------------------------
ইতিহাস :
প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম বাংলা
ভাষা আন্দোলনের একজন ভাষা
সৈনিক যিনি ১৯৬২ সালে
বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯৬৪ সালে বাঙলা কলেজ
মিরপুরে স্থানান্তরিত হয়। এর
আগে প্রতিষ্ঠাকালীন বছরে এর
ক্লাস হতো নবকুমার ইন্সটিটিউটে
রাতের শিফটে।১৯৭১ সালে
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়
পাকিস্তানী হানাদার
বাহিনী ও তাদের এদেশীয়
দোসররা বাঙলা কলেজকে একটি
বধ্যভূমি হিসাবে ব্যবহার করে
ছিল।
বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠার শুরুতে
শিক্ষিত বাঙালি বিদ্বান
ব্যক্তিদের কেউ কেউ
বিরোধিতায় নেমেছিলেন।
তাঁদের যুক্তি ছিল, বাংলা
মাধ্যমে লেখাপড়া করলে ছাত্র-
ছাত্রীরা চাকরি ক্ষেত্রে
পিছিয়ে পড়বে। এমনকি ‘বাঙলা
মৌলবি’ জন্ম হবে বলেও ব্যঙ্গ-
বিদ্রুপ করতেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও
বাঙলা মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ
দ্রুতই জনপ্রিয়তা লাভ করে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ'র সময়
পাকিস্তানী হানাদার
বাহিনী ও তাদের দোসর
অবাঙালি বিহারীরা বাঙলা
কলেজ দখল করে নেয়। দীর্ঘ নয় মাস
অবরুদ্ধ ছিল এ কলেজটি, কলেজের
সাইনবোর্ড নামিয়ে এ সময় ‘উর্দু
কলেজ’ সাইনবোর্ড লাগানো হয়।
বাঙালির জাতীয় জীবনে
সর্বস্তরে বাংলা ভাষাকে
প্রতিষ্ঠিত করা এবং বাংলাকে
উচ্চতর শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে
চালু করার লক্ষ্যে ১৯৬২ সালে
এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রধান
উদ্যোক্তা ছিলেন ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ
বিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন
অধ্যাপক এবং তমদ্দুন মজলিশ-এর
সভাপতি আবুল কাশেম। ১৯৬১
সালে তিনি কতিপয় শিক্ষাবিদ
ও জ্ঞানীগুণীদের সঙ্গে
পরামর্শক্রমে বাঙলা কলেজ
স্থাপনের মাধ্যমে বাংলাকে
শিক্ষার মাধ্যম ও অফিস-
আদালতের ভাষা হিসাবে চালু
করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। এ
উদ্দেশ্যে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ,
প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ , ডক্টর
ইন্নাস আলীসহ তমদ্দুন মজলিসের
কয়েকজন কর্মীকে নিয়ে একটি
প্রস্ত্ততি কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটি কয়েকটি ঘরোয়া
বৈঠকের পর দেশের প্রখ্যাত
শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক,
সাংবাদিক ও বিশিষ্ট
নাগরিকদের নিয়ে বাংলা
একাডেমীতে এক সভা আহবান
করে। ১৯৬১ সালের ১৫
ফেব্রুয়ারি ডক্টর মুহম্মদ
শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত সভায় ঢাকায় একটি
বাংলা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন
এবং এর প্রাথমিক পদক্ষেপ
হিসেবে একটি বাঙলা কলেজ
প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
১৯৬১ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি একই
স্থানে খান বাহাদুর আব্দুর
রহমান খান-এর সভাপতিত্বে
দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায়
২৬ জন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ,
সাহিত্যিক ও সাংবাদিক
উপস্থিত ছিলেন। এ সভায় বাঙলা
কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৫১
সদস্যবিশিষ্ট একটি সাংগঠনিক
পরিষদ গঠিত হয়। এ পরিষদে
প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন
তৎকালীন গভর্নর লেফটেন্যান্ট
জেনারেল মোহাম্মদ আজম খান
(সম্মতি সাপেক্ষে), পৃষ্ঠপোষক
রায় বাহাদুর রণদাপ্রসাদ সাহা
ও গুল মোহাম্মদ আদমজী, ডক্টর
মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ, প্রিন্সিপাল
দেওয়ান মোঃ আজরফ ও খান
বাহাদুর আবদুর রহমান খান সহ-
সভাপতি, প্রাক্তন ডিপিআই আবদুল
হাকিম কোষাধ্যক্ষ,
প্রিন্সিপাল ইব্রাহিম খাঁ
সেক্রেটারি, অধ্যাপক আবুল
কাসেম ও অধ্যাপক হাসান জামান
জয়েন্ট সেক্রেটারি শাহ
মুস্তাফিজুর রহমান ও অধ্যাপক
মতিউর রহমান অ্যাসিট্যান্ট
সেক্রেটারি। পরিষদের সদস্য
ছিলেন আবুল কালাম শামসুদ্দীন ,
তোফাজ্জল হোসেন মানিক
মিয়া, আবদুস সালাম, সুনীল কুমার
বসু, সাহিত্যিক মুহাম্মদ বরকত
উল্লাহ, অধ্যাপক আবদুল হাই, কবি
ফররুখ আহমদ , অধ্যাপক সৈয়দ আলী
আহসান, ড. মুহাম্মদ এনামুল হক,
বেগম শামসুন্নাহার মাহমুদ,
ব্যারিস্টর আবদুল হক, অধ্যাপক
মোফাখখারুল ইসলাম।
১৯৬১ সালের ১৮ জুন বাংলা
একাডেমী সভাকক্ষে বাঙলা
কলেজ সাংগঠনিক পরিষদের
সভায় ঐ বছর জুলাই থেকে বাংলা
কলেজের কার্যক্রম শুরু করার
সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায়
অধ্যাপক আবুল কাসেম কর্তৃক পেশকৃত
ডিগ্রি কলেজের পরিকল্পনা
সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
পরিকল্পনা অনুযায়ী কলা অনুষদে
বাংলা, ইংরেজি,
রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ইসলামের
ইতিহাস ও তমদ্দুন, অর্থনীতি ও
প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং বিজ্ঞান
অনুষদে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন,
গণিত, ইংরেজি ও সমাজবিজ্ঞান
অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়। প্রথম
বছরে প্রিন্সিপালসহ ১০ জন
অধ্যাপক ও ১১ জন অফিস স্টাফ
নিয়োগের প্রস্তাব গৃহীত হয়।
সিদ্ধান্ত হয় যে, ডিগ্রি
কলেজের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন না
হওয়া পর্যন্ত অধ্যাপকবৃন্দ নিজ নিজ
বিষয়ে তাদের ভাষণ বাংলায়
লিখে আনবেন। কলেজ থেকে
সেগুলি সাইক্লোস্টাইল করে
ক্লাসে ছাত্রদের মাঝে বিলি
করা হবে। বছর শেষে সেসব ভাষণ
একত্রিত করে সম্পাদনার পর
পুস্তকাকারে প্রকাশ করা হবে।
১৯৬২ সালের ৪ মার্চ পূর্ব
পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ড
অফিসে বাঙলা কলেজ
সাংগঠনিক পরিষদের ৪র্থ
অধিবেশন বসে। খান বাহাদুর
বদিউর রহমানের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত সভায় মূল আলোচ্য বিষয়
ছিল অর্থ সংগ্রহ ও কলেজের জন্য
স্থান নির্বাচন করা। অর্থ
সংগ্রহের জন্য ঢাকায় ৯ সদস্য
বিশিষ্ট এবং চট্টগ্রামে অপর
একটি কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু
কলেজ চালু করার জন্য সিদ্ধান্ত
চূড়ান্ত করা হলেও এক বছরেও একটি
বাড়ি পাওয়া যায় নি।
অবশেষে ১৯৬২ সালের ১ অক্টোবর
বকশিবাজারের নবকুমার
ইনস্টিটিউটে নাইট কলেজ
হিসেবে বাঙলা কলেজ কার্যক্রম
শুরু করে। ১৯৬২-৬৩ শিক্ষাবর্ষে
একাদশ শ্রেণিতে কলা বিভাগ ও
বিএ প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী
ভর্তি করা হয়।
১৯৬৩ সালে খোলা হয় একাদশ
শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগ। ৩০
জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু
হয় এ কলেজের তবে ১৯৬৪ সালের
মধ্যেই কলেজের ছাত্র সংখ্যা
বেড়ে দাঁড়ায় সাড়ে চার শ’।
শুরুর দিকে কলেজের
প্রিন্সিপাল, ভাইস প্রিন্সিপাল
ও অধ্যাপকগণ বিনা বেতনে
বৎসরাধিককাল এবং কেউ কেউ
নামমাত্র বেতনে অধ্যাপনা
করেন। স্বয়ং প্রিন্সিপাল আবুল
কাসেম ৮ বছর বিনা বেতনে
দায়িত্ব পালন করেন, এমনকি
নবকুমার স্কুল ভবনে অফিস কক্ষ করার
মতো স্থান না থাকায় তাঁর
বাসভবন ৩২/২ আজিমপুরের
নীচতলার একটি কক্ষ আসবাবপত্র,
টেলিফোন ও বিদ্যুৎ সুবিধাসহ
ছেড়ে দেন, যা কয়েক বছর
বাঙলা কলেজের অফিস হিসেবে
ব্যবহূত হয়। কলেজে সাপ্তাহিক ও
ষান্মাসিক পরীক্ষা নেওয়া
হতো। কয়েক বছরের মধ্যে
ফলাফলের দিক থেকে কলেজটি
দেশের প্রথম সারিতে স্থান
করে নেয়। ১৯৬৪ সালে বি.এ
পরীক্ষায় বাঙলা কলেজের
পাশের হার ছিল ৮৭.৫%।
১৯৬৩ সালেই মাধ্যমিক শিক্ষা
বোর্ড এ কলেজের বিজ্ঞান
বিভাগে রসায়ন, পদার্থবিদ্যা,
গণিত ও জীব বিজ্ঞান পড়ানোর
অনুমতি দেয়। ১৯৬৫ সালে
বাণিজ্য শাখা খোলা হয়। ১৯৬৯
সালে বি.কম ও বি.এসসি শ্রেণি
খোলার অনুমতি মেলে।
বাঙলা কলেজ প্রায় একটানা ৭-৮
বছর নবকুমার ইনস্টিটিউট ভবনে
নৈশ কলেজ রূপে চালু ছিল।
স্কুলভবনে একসময় ডক্টর মুহম্মদ
শহীদুল্লাহ কলেজ চালু করার
সিদ্ধান্ত হলে বাঙলা কলেজকে
তা ছেড়ে দিতে হয়। বাঙলা
কলেজ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর পরই
সরকারের কাছে জমি বরাদ্দের
আবেদন জানানো হয়। ঢাকা
শহরের তৎকালীন সীমারেখার
মধ্যে কোনো জায়গা না
পাওয়ায় মিরপুরের জঙ্গলাকীর্ণ ও
খাদযুক্ত জমি হুকুম দখলের জন্য
সরকারে কাছে আবেদন জানান
হয়। ১৯৬৪ সালে বাঙলা কলেজের
জন্য প্রায় ১২ একর জমি বরাদ্দ
পাওয়া যায়। তৎকালীন ডিপিআই
ফেরদাউস খানের চেষ্টায়
বাঙলা কলেজ সরকারের উন্নয়ন
স্কিমভুক্ত হয়। কলেজের নামে
মঞ্জুর হয় অর্থ। পরবর্তীকালে হুকুম
দখলকৃত জমির পাশে আরও কিছু জমি
নিজস্ব অর্থায়নে ক্রয় করা হয়।
কলেজের ভবন তৈরির কাজ
আংশিকভাবে শেষ হলে ১৯৬৯
সালের ৪ অক্টোবর
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয়
গবেষণা ও শিক্ষামন্ত্রী
মোহাম্মদ শামসুল হক বাঙলা
কলেজের বি.এসসি ও বি.কম ক্লাশ
উদ্বোধন করেন।
বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠা হবার পর
কলেজের বিভিন্ন ক্লাশের
উপযোগী বাংলায় লিখিত
কোন পাঠ্যবই ছিল না। অথচ
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চ
মাধ্যমিক ও ডিগ্রি শ্রেণি
পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমে পরীক্ষা
দেয়ার অনুমতি নেওয়া হয়। কিন্তু
১৯৬৯ সাল পর্যন্ত বাংলায়
প্রশ্নপত্র তৈরির অনুমোদন মেলে
নি। প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম
বিভিন্ন বিষয়ে ৪০টি উচ্চ
শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক বাংলায়
রচনা করেন। পদার্থ বিদ্যা,
রসায়ন, জীববিজ্ঞান, জ্যামিতি,
বীজগণিত, পরিসংখ্যান ইত্যাদি
বিষয়ে বাংলা কলেজের
প্রচেষ্টায় প্রথমবারের মতো
বাংলা পাঠ্যপুস্তক রচিত ও
প্রকাশিত হয়। শিক্ষকদের
বাংলায় প্রদত্ত যেসব ভাষণ
সাইক্লোস্টাইল করে ছাত্রদের
দেয়া হত বছরের শেষে সেসব
সম্পাদনা করে বই আকারে প্রকাশ
করা হয়। এভাবে পাঠ্যপুস্তকের
সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা
করা হয়।
প্রশাসন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তথা
রাষ্ট্রে সর্বত্র বাংলা প্রচলন
করা সম্ভব, এই চেতনা ও উপলব্ধি
থেকেই প্রিন্সিপাল আবুল কাসেম
নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও
বাংলা কলেজ ও বাঙলা
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার
পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। বাংলা
কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রদের
নিয়ে তিনি পথসভা, জনসভা,
মিছিল ও জনসংযোগের মাধ্যমে
সাইনবোর্ড, নেমপ্লেট,
পোস্টার, ব্যানার বাংলা
ভাষায় প্রচলনে জনগণকে উদ্বুদ্ধ
করেন। ১৯৬৯ সালের ছাত্র
গণআন্দোলনের সময় সংগ্রামী
ছাত্রদের সহযোগিতায় বাঙলা
কলেজের ছাত্র-শিক্ষকদের
আন্দোলন ব্যাপক গণভিত্তি লাভ
করে।
বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠার শুরুতে
ওই সময়ের প্রভাবশালী
সংবাদপত্র দৈনিক ইত্তেফাক,
দৈনিক আজাদ ও পাকিস্তান
অবজারভার ব্যাপক সমর্থন
জুগিয়েছে। এ কলেজ প্রতিষ্ঠার
লক্ষ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত প্রথম
সভাতেই সিদ্ধান্ত ছিল
বাংলায় প্রশ্নপত্র তৈরি ও উত্তর
দানের সুবিধা দেওয়ার জন্য
তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয়সমূহ,
টেক্সট বুক বোর্ড, বাংলা
একাডেমী প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানকে
অনুরোধ জানানো হবে, এ ছাড়া
বাংলায় পাঠ্যপুস্তক রচনা ও
প্রকাশের জন্যও অনুরোধ থাকবে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাঙলা কলেজ
থেকে চিঠি লিখে ও
স্মারকলিপি দিয়ে এবং বাঙলা
কলেজের পক্ষে প্রতিনিধি দল
গিয়ে সে সকল প্রতিষ্ঠান
প্রধানের সাথে সাক্ষাৎ করে
বিস্তারিত অবগত করানো হয়।
বাঙলা কলেজের এ সব পদক্ষেপ
দেশব্যাপী সাড়া জাগাতে
সক্ষম হয়, এ কলেজেরই পথ ধরে
পরবর্তীকালে পর্যায়ক্রমে
বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে
বাংলা মাধ্যমে লেখাপড়া
করার ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হয়।
বাঙলা কলেজ প্রতিষ্ঠার শুরুতে
শিক্ষিত বাঙালি বিদ্বান
ব্যক্তিদের কেউ কেউ
বিরোধিতায় নেমেছিলেন।
তাঁদের যুক্তি ছিল, বাংলা
মাধ্যমে লেখাপড়া করলে ছাত্র-
ছাত্রীরা চাকরি ক্ষেত্রে
পিছিয়ে পড়বে। এমনকি ‘বাঙলা
মৌলবি’ জন্ম হবে বলেও ব্যঙ্গ-
বিদ্রুপ করতেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও
বাঙলা মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ
দ্রুতই জনপ্রিয়তা লাভ করে।
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের
সময় পাকিস্তানী হানাদার
বাহিনী ও তাদের দোসর
অবাঙালি বিহারীরা বাঙলা
কলেজ দখল করে নেয়। দীর্ঘ নয়
মাস অবরুদ্ধ ছিল এ কলেজটি,
কলেজের সাইনবোর্ড নামিয়ে এ
সময় ‘উর্দু কলেজ’ সাইনবোর্ড
লাগানো হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর
নব উদ্যমে যাত্রা শুরু করে এ
কলেজ। এরই ধারাবাহিকতায়
১৯৮৫ সালে কলেজটি সরকারিকরণ
করা হয় এবং ১৯৯৭ সালে জাতীয়
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে
অনার্স ও মাস্টার্স কোর্স চালু
করা হয়। বর্তমানে কলেজটিতে
উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে
মানবিক, বিজ্ঞান ও বাণিজ্য
শাখায় প্রতি বছর প্রায় ৮০০ জন
শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়।
এছাড়াও উচ্চমাধ্যমিক,বি.এ, বি.বি.এ ও
বি.এসসি সম্মান এবং মাস্টার্স কোর্স চালু রয়েছে।
-----------------------------------
বিভাগ ও অনুষদসমূহ :
***বিজ্ঞান অনুষদ
#রসায়ন বিভাগ
#পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
#গণিত বিভাগ
#মৃত্তিকাবিজ্ঞান বিভাগ
#উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ
#প্রানীবিজ্ঞান বিভাগ
***কলা ও সমাজবিজ্ঞান অনুষদ
#ইংরেজি বিভাগ
#বাংলা বিভাগ
#রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
#সমাজকর্ম বিভাগ
#ইতিহাস বিভাগ
#দর্শন বিভাগ
#ইসলামিক স্টাডিজ
#ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
***বাণিজ্য অনুষদ
#হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
#ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ
#অর্থনীতি বিভাগ
#মার্কেটিং বিভাগ
#ব্যবস্থাপনা বিভাগ
***উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণী :
#বিজ্ঞান
#বাণিজ্য
#মানবিক
------------------------------------ 
ভর্তি যোগ্যতা (2017 সেশন থেকে পরিবর্তন হবে):
***এইচ.এস.সি
i. বিজ্ঞান জিপিএ ন্যূনতম ৪.০০
ii. বাণিজ্য জিপিএ ন্যূনতম ৩.৫
ii. মানবিক জিপিএ ন্যূনতম ৩.০০
------------------------------------ 
***স্নাতক (সমমান) ৪ বছর:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের
শর্তানুযায়ী এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি
পরীক্ষার ৪র্থ বিষয় বাদে ন্যূনতম
সর্বমোট জিপিএ ৪.০০ থাকতে হয়।
------------------------------------
***স্নাতক (পাশ কোর্স) ৩ বছর মেয়াদী:
এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি পরীক্ষায়
ন্যূনতম জিপিএ ৪র্থ বিষয় বাদে
জিপিএ ৪.০০ থাকতে হয়।
------------------------------------
***মাস্টার্স কোর্স:
স্নাতক শ্রেণীতে ন্যূনতম ২য়
শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হতে হয়।
-------------------------------------
ভর্তি প্রক্রিয়া :
অনলাইনের মাধ্যমে ভর্তি চলছে।
ওয়েব সাইটে ক্লিক করলে যাবতীয়
তথ্য জানা যাবে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
এইচ.এস.সি কোর্স
শিক্ষার্থীদের ৬ কপি রঙ্গিন
সত্যায়িত ছবি।
প্রশংসা পত্রের সত্যায়িত
ফটোকপি ও মূল কপি।
মার্কসিটের মূল ও সত্যায়িত
ফটোকপি।
------------------------------------
স্নাতক কোর্স :
শিক্ষার্থীদের ৮ কপি সত্যায়িত
রঙ্গিন ছবি।
এস.এস.সি ও এইচ.এস.সি প্রশংসা পত্র ও
মার্কসিটের মূল ও সত্যায়িত
ফটোকপি।
------------------------------------
মাস্টার্স কোর্স :
শিক্ষার্থীদের ৬ কপি সত্যায়িত
রঙ্গিন ছবি।
এস.এস.সি, এইচ.এস.সি ও স্নাতক
পাশের নম্বরপত্র ও প্রশংসা পত্রের
সত্যায়িত ফটোকপি।
------------------------------------
ভর্তি ফি :
কোর্সের নাম সর্বনিম্ন খরচ সর্বোচ্চ খরচ
এইচ.এস.সি ২,০০০-৩,৫০০
স্নাতক (সমমান) ৪,০০০-৬,০০০
স্নাতক (পাশ) ৩,০০০-৪,০০০
মাস্টার্স ৩,০০০-৩,৫০০
ফি পরিশোধ:
মাসিক ভিত্তিতে বেতন পরিশোধ
করা যায়।
ভর্তির পর বছর শেষে বা পরীক্ষার
আগে একত্রে সকল বকেয়া পরিশোধ
করা যায়।
------------------------------------
লাইব্রেরী :
কলেজটিতে ১ টি লাইব্রেরী
রয়েছে। এটি ৩ নং ভবনে অর্থাৎ
উত্তর পার্শ্বের ভবনের ২য় তলায়
অবস্থিত। লাইব্রেরীতে পাঠ্য বই
ছাড়াও অনেক গল্প, উপন্যাসের বই
রয়েছে। শিক্ষার্থীরা
লাইব্রেরী ব্যবহার করতে পারে।
লাইব্রেরীতে কাঠের টেবিল,
চেয়ার রয়েছে। এখানে একত্রে ৩০
জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করতে
পারে।
------------------------------------
ল্যাব :
এখানে মোট ২ টি ল্যাব রয়েছে।
এগুলো বিজ্ঞান ভবনের ২য় তলায়
অবস্থিত।
------------------------------------
ড্রেসকোড :
ছেলেদের আকাশি প্যান্ট ও সাদা
শার্ট।
মেয়েদের সাদা সেলোয়ার ও
সাদা কামিজ।
------------------------------------
ক্লাসরুম ও ক্লাস সময় :
ক্লাসে বসার জন্য সাধারণত কাঠের
বেঞ্চ ও টেবিল রয়েছে।
কলজটিতে সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে
দুপুর ৩.৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাস হয়।
প্রত্যেক ক্লাসের ব্যাপ্তিকাল ৫০
মিনিট।
শুক্রবার ও অন্যান্য সরকারি ছুটির
দিন বন্ধ থাকে।
------------------------------------
ক্যান্টিন :
কলেজের ক্যান্টিন নীচতলায়
অবস্থিত।
সকালে রুটি, ভাজি ও পরোটা
এবং দুপুরে সিঙ্গারা, ভাত ও মাছ
পাওয়া যায়।
গাড়ি পার্কিং
এখানে গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা
রয়েছে।
এখানে মোট ২৫ টি গাড়ি
পার্কিং করা যায়।
পার্কিংয়ের জন্য কোন চার্জ
দিতে হয় না।
ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮
টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত
ক্যান্টিন খোলা থাকে।
------------------------------------
ওয়াইফাই সুবিধা :
কলেজ ক্যাম্পাসে "College student wifi" নামে 24 ঘন্টা হাইস্পিড ওয়াইফাই সুবিধা
আছে ছাত্রছাত্রীদের জন্য। এর জন্য কোন ফি দিতে হয় না।
-------------------------------------
শিক্ষা ভবন :
একাডেমিক ভবন
মোট ৬ টি ভবনের ৫ টিতে
একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালিত
হয়।
ভবনগুলোতে ওঠার জমা সিঁড়ির
ব্যবস্থা রয়েছে।
ক্লাশরুমগুলো বেশ বড়। একত্রে ৬০ জন
শিক্ষার্থী ক্লাস করতে পারে।
------------------------------------
মাঠ:
কলেজের ভিতরে বড় ১ টি খেলাধূলা
করার মাঠ রয়েছে। ক্রিকেট, ফুটবল,
ব্যাটমিন্টন প্রভৃতি খেলা হয়ে
থাকে।
------------------------------------
বিবিধ :
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পত্র
শিক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয়।
কলেজে এসে কোন শিক্ষার্থী
অসুস্থ হলে প্রাথমিক চিকিৎসার
ব্যবস্থা রয়েছে।
শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন
সেমিনার এর আয়োজন করা হয়।
এখানে খেলাধূলার জন্য ১টি ক্লাব
রয়েছে। সদস্য হতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে
যোগাযোগ করতে হয়।
(কিছু তথ্য পরিমার্জিত ও সংযোজনযোগ্য)
তথ্যসূত্র: বাঙলা কলেজ ম্যাগাজিন,বাংলাপিডিয়া,উইকিপিডিয়া ইত্যাদি।
**পরিমার্জনযোগ্য**
তথ্য সংগ্রহে: শাব্বীর আহমাদ পলাশ
_ _রসায়ন বিভাগ,
সরকারি বাঙলা কলেজ।